যাঁদের আকাশ পথে চলাচলের অভিজ্ঞতা আছে, তারা এই বিষয়টা নিয়ে নিশ্চয় অবগত, উড়ান এবং অবতরণ এই দুই সময়ই বিমানের ভিতরের আলো একেবারে মৃদু করে দেওয়া হয়।
সারাক্ষণ লাইটের আলো তীব্র থাকলেও কেন এই দুইসময় আলো একেবারে মৃদু করে দেওয়া হয়, জানেন? এর পিছনে যে মূল কারণটি রয়েছে তা হল যাত্রী সুরক্ষা।
এখন মনে প্রশ্ন আসতেই পারে, যাত্রী সুরক্ষার সঙ্গে লাইটের আলো কমিয়ে আনার সম্পর্ক কী? বিমানের পরিচারকেরা জানিয়েছেন, প্রথমত হঠাৎ কোনও দুর্ঘটনা ঘটে গেলে যদি বিমানের সব লাইট বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে আরও বিপদের সম্মুখীন হবেন যাত্রীরা।
হঠাৎ করে সামনে অন্ধকারের বদলে যাত্রীরা যদি ক্ষীণ আলোতে থাকেন তাহলে তা তাঁদের চোখের পক্ষেও ভালো এবং এই ধরনের সমস্যার সময় অল্প আলোতে যাত্রীরা যাতে আপতকালীন দরজার লাইটে ভালো করে নজর রাখতে পারেন তাই এমনটা করা হয়।
কারণ, ক্ষীণ আলোতে আরও স্পষ্ট দেখা যায় আপতকালীন দরজার লাইট।
Friday, 23 December 2016
উড়ান এবং অবতরণের সময় বিমানের লাইট কেন ক্ষীণকরে দেওয়া হয়? Oysterlink
কোহিনুর কোনও দিন চুরি হয়ইনি।
কোহিনুরহিরে। ৭৯৩ ক্যারেটের এই হিরে ভারতের এক অমূল্য সম্পদ। দু'শো বছরের রাজত্বের পর ব্রিটিশরা ভারতের সিংহাসন ছেড়ে দিলেও সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিল এই অমূল্য সম্পদ। কোহিনুরের 'চুরি'র অপবাদ এতদিন ব্রিটিশদের উপরই ছিল। ইতিহাস অন্তত এমনটাই বলে।
কিন্তু অন্য কথা বলছে কেন্দ্রীয় সরকার। সলিসিটর জেনারেল জানিয়েছেন, কোহিনুর কোনও দিন চুরি হয়ইনি।ইউনাইটেড কিংডম থেকে কোহিনুর ফিরিয়ে তোড়জোড় চলছিল বেশ কিছুদিন ধরে। এমন সময় কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কোহিনুর হিরে কখনও চুরি হয়নি। মহারাজা রঞ্জিত সিং ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে উপহার দিয়েছিলেন ওই মহামূল্য হিরেটি।
সুতরাং তা ফেরত দেওয়ার দাবি ভারত করতে পারে না। এই কথা শোনার পর কোহিনুর বিষয়ে সরকারের নীতি ঠিক কী তা জানিয়েছ'সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলে অ্যাপেক্স কোর্ট।
আপনার প্রিয় মানুষটির মৃত্যুর পরেও সঙ্গে থাকবে আপনার৷
জীবিত অবস্থায় যদি আপনি কারও পছন্দের মানুষ না হয়ে উঠতে পারেন, হতাশ হবেন না মৃত্যুর পরেও অবশ্যই তার কাছে মূল্যবান হবেন আপনি৷
নিশ্চয়ই ভাবছেন কোনও গাঁজাখরি গল্প শোনাচ্ছি?একদমই নয়৷
সম্প্রতি একটি সুইস কোম্পানি সামনে এনেছে এমন একটি পদ্ধতি যার দ্বারা মৃত্যুর পরে আপনার শব থেকেই তৈরি করা যাবে হীরা৷ সেই হীরের তৈরি আংটির দাম হতে পারে তিন লাখ থেকে শুরু করে ১৫ লাখ পর্যন্ত৷ তবে হীরের মাপের উপর নির্ভর করবে দাম৷
ফলে এবার থেকে আপনার প্রিয় মানুষটির মৃত্যুর পরেও সঙ্গে থাকবে আপনার৷
কী করে হবে এই অসাধ্য সাধন? কোম্পানির পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রায় মৃতদেহকেপুড়িয়ে তা থেকে কার্বন বের় করা হবে৷ তারপরে সেইকার্বনকে কৃত্রিম হীরেতে পরিণত করা হবে৷ যদি আপনি ভেবে থাকেন এই হীরেগুলি শুধুমাত্র ধনী ব্যক্তিদেরজন্য৷ তবে ভুল ভাবছেন আপনি৷
কারণ কোম্পানির পক্ষ থেকে জানান হয়েছে সাধারণের কথা মাথায় রেখে পকেট ফ্রেন্ডলি করা হবে হীরের মূল্য৷
Wednesday, 19 October 2016
সোলার ইম্পালস: বিশ্ব পরিভ্রমণে জ্বালানিবিহীন বিমান
৪৮ ঘণ্টা পর বিমানটির সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবু ধাবিতে পৌছানোর কথা রয়েছে। ২০১৫ সালের মার্চ মাসে এখান থেকেই যাত্রা শুরু করে সোলার ইম্পালস।শেষবারের মত বিমানটির নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন পাইলট বার্ট্রান্ড পিকার্ড।ধারণা করা হচ্ছে, বড় কোন বাঁধা ছাড়াই তিনি শেষ ধাপটি পার হবেন। যদিও মধ্যপ্রাচ্যের তাপ বিমানটিরওপর কী প্রভাব ফেলবে এনিয়ে কিছু আশঙ্কা রয়েছে।উষ্ণতা এবং ঝাঁকুনি থেকে বাঁচার জন্য মি. পিকার্ড অনেক উচুঁতে অবস্থান করবেন এবং অক্সিজেন মাস্ক ব্যবহার করবেন।সৌদি মরুভূমির ওপর উষ্ণ এবং হালকা বায়ুপ্রবাহের কারণে সামনে এগুনোর জন্য সোলার ইম্পালসের মোটরগুলোরও অনেক বেশি শক্তির প্রয়োজন হবে।
এসব কারণে বিমানটির লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারিগুলোতে সঞ্চিত শক্তি খুব দক্ষতার সাথে ব্যবহার করতে হবে যাতে রাতের সময়টাতে বিমান উড্ডয়ন অব্যাহত থাকে।সোলার ইম্পালস প্রথম কোন বিমান যেটি কোন জ্বালানী ব্যবহার না করে শুধুমাত্র সৌরশক্তি দিয়ে বিশ্ব পরিভ্রমণ করছে।বিমানটি এখনো পর্যন্ত ৩০,০০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়েছে।
ভিক্ষা ছাড়লেই লাখ টাকা পাবেন
তবে নগদ টাকার বদলে ভিক্ষুককে বসতবাড়ি মেরামতসহ গাভি, হাঁস-মুরগি কিংবা মুদির দোকান করে দেয়া হচ্ছে। এছাড়া ভিক্ষা ছেড়ে দেওয়া প্রত্যেকে পাচ্ছেন স্বাস্থ্য কার্ড।
তবে শর্ত হচ্ছে--জীবনে আর কখনোই ভিক্ষা করা যাবে না।
২০২৫ সাল নাগাদ চাঁদের বুকে তাঁবুতে ছুটি কাটাতে পারবেন মহাকাশ পর্যটকরা
এত দূর এখন বলা না গেলেও আপাতত চাঁদে থাকার বন্দোবস্ত হয়ে যাচ্ছে। জানা গেছে, হাওয়া ভরা সাময়িক বাসস্থান তৈরির ব্যবসা করছে মার্কিন বাণিজ্য সংস্থা ‘বিগেলো এয়ারোস্পেস’।
সম্প্রতি উপগ্রহে ব্যবসায়িক উদ্যোগ নিতে বাণিজ্য সংস্থাদের প্রয়োজনীয় অনুমোদন দেয়ার কথা ঘোষণা করেছে ওবামা প্রশাসন। চাঁদে এই ধরনের হাওয়া ভর্তি তাঁবু পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে ওই সংস্থার। চলতি বছরে এই রকম একটি তাঁবু পরীক্ষামূলকভাবে মহাকাশ স্টেশনে পাঠানো হচ্ছে।
ভবিষ্যতে মহাকাশ পর্যটনে গিয়ে এই তাঁবুতে থাকতে পারবেন পর্যটকরা। এখানে সাফল্য পেলে সরাসরি চাঁদের বুকে তাঁবু গাড়ার স্বপ্ন দেখছে বিগেলো। সম্ভবত ২০২৫ সাল নাগাদ চাঁদের বুকে তাঁবুতে ছুটি কাটাতে পারবেন মহাকাশ পর্যটকরা।
Antarctica | গত এক দশকে বরফ গলার মাত্রা তিনগুণ বেড়েছে
সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন মহাসাগরের উষ্ণ পানির কারণে গলে যাচ্ছে পূর্ব অ্যান্টার্কটিকার সবচেয়ে বড় হিমবাহ টটেন গ্ল্যাসিয়ার। টটেন গ্ল্যাসিয়ারের উচ্চতা ২০ ফুট (৬মিটার)। এটি লম্বায় ১২০ কিলোমিটার ও প্রস্থে ৩০ কিলোমিটারেরও বেশি।ভ্রমণ ফেরত বিজ্ঞানী দলের স্টিভ রিনটল জানান, আমরা হিমবাহটির সামনের দিকের তাপমাত্রা পরিমাপ করেছি। এই তাপমাত্রা হিমবাহ গলানোর জন্য যথেষ্ট। হিমবাহটির কাছে উষ্ণ স্রোতের ধারা পৌঁছানোর অর্থ হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পূর্ব অ্যান্টার্কটিকা আমাদের ধারণার চেয়েও বেশি হুমকির সম্মুখীন হতে পারে।তিনি বলেন, হিমবাহটি যে রাতারাতি গলে যাবে ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ছয় মিটার বেড়ে যাবে তা নয়। তবে সমুদ্রের তাপমাত্রার পরিবর্তন বরফস্তুপের ওপর কেমন প্রভাব ফেলবে তার জন্য গবেষণাটি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, পূর্ব অ্যান্টার্কটিকা যতটা সুরক্ষিত বলে আমরা চিন্তা করছি সেটি আসলে ততটা সুরক্ষিত নয়।
গত ২১ বছরের তথ্যের ভিত্তিতে গত মাসে একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে, অ্যান্টার্কটিকার যেসব অঞ্চলে দ্রুত বরফ গলছে, সেখানে গত এক দশকে বরফ গলার মাত্রা তিনগুণ বেড়েছে।
বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে কিছু মজার তথ্য | 2016 | The OYSTERLINK
1. খরগোশ ও টিয়াপাখি দুটোই খুব সুন্দর প্রাণী। অনেকেই এগুলো বাসায় পোষে। তবে বাসায় থাকা খরগোশ বা টিয়াকে পেছন থেকে চুপি চুপি এসে চমকে দেওয়ার চেষ্টা বৃথা। কারণ এই দুটি প্রাণী মাথা না ঘুরিয়েও পিছনে কী ঘটছে দেখতে পায়।
2. কোনো খাবারের স্বাদ জানতে আমরা জিহ্বা ব্যবহার করি। চিন্তা করো তো প্রায় সব প্রাণীরই তো জিহ্বা আছে, তাই না। আচ্ছা হাত বা পা দিয়ে কখনো খাবারের স্বাদ জানা যায়! অবিশ্বাস্য মনে হলেও প্রজাপতি এই কাজটিই করে। প্রজাপতি কোনো খাবারের ওপর বসে পা দিয়েএর স্বাদ নেয়। কারণ মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর ক্ষেত্রে স্বাদ গ্রহণের গ্রন্থি থাকে জিহ্বায়। কিন্তু প্রজাপতির ক্ষেত্রে এই গ্রন্থি থাকে পায়ে।
3. প্রায় প্রতিদিনই তো বাসায় ঘর ঝাড়ু দেওয়া হয়। খেয়াল করে দেখো এরমধ্যে ধুলার মতো ময়লা থাকে। আর এই ময়লার মধ্যে তোমার শরীরের ত্বকের কোষও আছে। মজার বিষয় হলো, আমাদের বাড়িঘরের ধুলোর মতো গুঁড়ো ময়লার অধিকাংশই আমাদের শরীর থেকে ঝরে যাওয়া মৃত ত্বক কোষ।
4. আদিকালে পৃথিবীজুড়ে ঘুরে বেড়াত ডাইনোসরসহ বিভিন্ন প্রাগৈতিহাসিক প্রাণী প্রজাতি। বৃহদাকৃতির ডাইনোসরের একটি প্রজাতি ছিল স্টেগোসাউরাস। প্রায় নয় মিটার লম্বা দাবনাকৃতির এইডাইনোসর প্রজাতির মস্তিষ্ক ছিল কাঠবাদামের সমান।
5. খাটো বলে মন খারাপ। লম্বা হওয়ার এক বুদ্ধি বাতলে দিতে পারি। মহাকাশচারী হও, এতে একটু হলেও লম্বা হতে পারবে। বিস্ময়কর মনে হলেও সত্যি, মহাকাশে কিছুদিন টানা থাকলে উচ্চতা কিছুটা বাড়ে। মহাকাশে অভিকর্ষণ বল না থাকায় মানুষের শরীরের ওপর নিচের দিকে টান থাকে না। এ কারণে মানুষের উচ্চতা বাড়ে।
6. অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের বিশেষ বৈশিষ্ট্যের প্রাণী ক্যাঙ্গারু আরইমু পাখি। লাফিয়ে লাফিয়ে চলা আর পকেটে বাচ্চা রাখার জন্য ক্যাঙ্গারু সবার কাছেই মোটামুটি পরিচিত। আচ্ছা ক্যাঙ্গারুকে কখনো পেছনে হাঁটতে দেখেছো কেউ। উত্তর হবে ‘না’। পায়ের গঠনের কারণে ক্যাঙ্গারু ও ইমু পাখি পেছনে হাঁটতে পারে না বললেই চলে।
7. চিড়িয়াখানায় জলহস্তী দেখেছো। বিশালদেহী প্রাণীটির পা বেশ ছোট হলেও এটি মানুষের চেয়ে দ্রুতগতিতে দৌড়াতে পারে। আর দেখতে নিরীহ হলেও জলিহস্তী কিন্তু হিংস্রতম প্রাণীর একটি।
8. কাঁটাঘড়ি দেখেছো। তিনটি কাঁটায় দেখায় সেকেন্ড, মিনিট আর ঘণ্টা। এই ঘড়িতে ব্যাটারি না থাকলে বা নষ্ট হয়ে গেলেও কিন্তু দিন-রাত মিলে ২৪ ঘণ্টায় অন্তত দুবার সঠিক সময় দেখায়।
9. মানুষ কখনোই চোখ খোলা রেখে হাঁচি দিতে পারে না। হাঁচি এলে মানুষের চোখ আপনাআপনিই বন্ধ হয়ে যায়।
10. ইংরেজি বলায় অনেকেই বেশ সাবলীল। এই ইংরেজি বাক্যটি দ্রুত বলার চেষ্টা করে দেখো তো— Sixth sick sheik’s sixth sheep’s sick.
মজার এই তথ্যগুলো নিউজিল্যান্ডের সায়েন্সকিডস ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া হয়েছে।
পতঞ্জলী...পট অঞ্জলী: 2016
একদিন সে সাহস করে অঞ্জলীকে বলেই ফেলল,
"আমি তোমাকে খুব ভালবাসি।"
অঞ্জলী বলল,
"কিন্তু আমি তোমাকে ভালবাসি না..., তোমাকে বিয়ে করতে পারবো না..., তুমি খুব গরীব....তায় আবার তোমার এক চোখ কানা...আর আমার স্বাদ আহ্লাদ মেটানোর মুরোদ নেই তোমার।"
ছেলেটি বলল,
"আমি তোমার সব স্বাদ আহ্লাদ মেটানোর আপ্রান চেষ্টা করবো।"
কিন্তু অঞ্জলী ওর কোন কথাই শুনল না।
.
.
.কয়েক বছর পর অঞ্জলীর বিয়ে হয়ে গেলো এক বিজনেসম্যানের সংগে। ওর বর একটা অনেক বড ফ্যাক্টরীর ম্যানেজার।
.
একদিন ফ্যাক্টরীতে পার্টি ছিলো..., অঞ্জলীর বর অঞ্জলীকে ওর বসের সংগে দেখা করালো।
বসকে দেখে অঞ্জলীর তো চোখ কপালে উঠে গেছে..., আরে এ তো সেই কানা ছেলেটা।
তখন ওর বর জানালো,
"আমার মালিক অনেক মেহনত করে এই ফ্যাক্টরীটা দাঁড় করিয়েছে..., যার টার্ণওভার আজকের দিনে 5,000 কোটি টাকা।"
তারপর কোন একটা কাজ এসে গেলে অঞ্জলীর বর বাইরে গেলে সে ছেলেটিকে জিগ্যেস করলো,
"আপনিই কি আমাকে প্রপোজ করেছিলেন.?"
ছেলেটি বলল,
"হ্যাঁ, আমিই সেই।"
অঞ্জলী বলল,
"আমি খুব দুঃখিত, আপনার ওপর ভরসা করি নি।"
ছেলেটি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল,
"আমি রোজ রাতে বালিশে মুখ গুঁজে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতাম, ভাবতাম অঞ্জলীকে পটাতে পারলে জীবনটা বদলে যেত আর বলতাম,
"পট অঞ্জলী, পট অঞ্জলী..."
মেয়েটি আবার জিগ্যেস করলো,
আপনি বিয়ে করেছেন.?"
ছেলেটি মুচকি হেসে কানা চোখটা আরেকটু ছোট করে বলল,
"আর বিয়ে নয়...., আমি আমার অঞ্জলী পেয়ে গেছি।"
আপনারা কি ঐ কোটিপতি বিজনেসম্যানের নাম জানেন.???
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
ইনিই বাবা রামদেব...!!!
.
আর ওর প্রথম প্রেমের থেকেই ওর প্রোডাক্টের নাম......
*পতঞ্জলী ( পট অঞ্জলী)
😜😝😝😜 😁😀😂
A deadly horror story: 2016
কেয়ার নতুন বিয়ে হয়েছে..,তার স্বামী ফরেস্ট অফিসার,বিয়ের কিছুদিন পরই তার পোস্টিং হল হিমাচল প্রদেশে .. কেয়া ওর স্বামীকে অনেক ভালোবাসত ..
একদিন ওরা বেড়াতে গেল .. পাহাড়ি রাস্তাটার ঠিক মাঝখানে দাড়িয়ে কেয়ার স্বামী ছবি তুলছিলো..হঠাৎ একটা ট্রাক আসল আর তাকে এক ধাক্কায় ছিটকে ফেলে দিল ..
কেয়া তার স্বামীর রক্তমাখা শার্টটা নিজের কাছে রেখে দিল ..
ও এখন সেই পাহাড়ি এলাকার নির্জন বাড়িটাতে একা একা থাকে .. অনেকেই ওকে বলেছে চলে আসতে কিন্তু ও কারো কথাই শুনে না ..
রক্তমাখা শার্টটা রাখা উচিত হয়নি .. প্রায় রাতেই কেয়া অদ্ভুত সব আওয়াজ শুনতে পায় ..
আজ কেয়া ঠিক করেছে ও শার্টের রক্ত ধুয়ে ফেলবে ..
খুব রাত তখন .. বাইরে অনেক বাতাস .. কেয়া ঘরের ভেতরেই বালতিতে জল নিয়ে সাবান দিয়ে শার্টটা ধুচ্ছে .. উফ! কিছুতেই রক্তের দাগ যাচ্ছে না .. একি! দরজাটা হঠাৎ খুলে গেল .. ঐ ত কে যেন আসছে .. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে .. সাদা কাপড় পরা .. ধীরে ধীরে সামনে এল .. সাদা শাড়ি পরা একটা মহিলা .. চুলগুলো বাতাসে উড়ছে .. ভয়ংকরভাবে হাসি দিয়ে সে কেয়ার দিকে এগিয়ে এলো .. আর হাতটা বাড়িয়ে দিয়ে বলল ,
"দাগ নিয়ে চিন্তিত? ?? আর নয় চিন্তা .. এসে গেছে নতুন লেবুর শক্তিওয়ালা টাইড..দাগ থেকে দেয় নিমেষেই মুক্তি...😂😁😀😅
Thursday, 6 October 2016
Spoken English || স্পোকেন ইংলিশ 2016 | Speak in English Fluently | Lesson 2
Lesson 2
মানুষ যে কথাই বলুক, যে তথ্যই প্রদান করুন, তার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে সে নিজের মতকে প্রকাশ করতে পছন্দ করে। এরূপ শব্দগচ্ছকে ইংরেজিতে বলা হয় comment clause. কোনো বাক্যে যা বলা হলো, সে বিষয়ের প্রতি বক্তার নিজের মনোভাব প্রকাশ করার জন্য এরূপ clause ব্যবহৃত হয়। নিচে কিছু comment clause-এর উদাহরণ দেওয়া হলো--
I regretted that he didn't take my advice = To my regret, he didn't take my advice.
To my regret = I regretted that (regret = আক্ষেপ করা)
It was surprising that he didn't get frightened at all = Surprisingly, he didn't get frightened at all.
Surprisingly = It was surprising that (frightened = ভয় পাওয়া)
I was surprised to find them all = To my surprise, I found them all.
Comparing - তুলনা
মনের ভাব প্রকাশের এক ব্যাপক অংশ জুড়ে থাকে তুলনার ব্যাপার। দুই বা ততোধিক ব্যক্তি বা বস্তু ইত্যাদিকে আমরা একটির সাথে অপরটিকে বিভিন্নভাবে তুলনা করে থাকি।
As ........ as
Not so/as ........ as
Nearly as ........ as
Exactly as ........ as
She is as beautiful as her sister. ---- সে তার বোনের মতো সুন্দরী।
She is not so beautiful as her sister. ---- সে তার বোনের মতো সুন্দরী নয়।
Connecting Statements - বক্তব্য সংযুক্তবরণ
আমরা যখন কথা বলি তখন একটি পূর্ণাঙ্গ বক্তব্যকে একটি যৌক্তিক প্রবাহের মধ্যে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি। ফলে কারণের (cause) সাথে ফলকে (effects) সংযুক্ত করার জন্য আমাদেরকে অতিরিক্ত কিছু word বা phrase ব্যবহার করতে হয়। এগুলিকে এক কথায় বলে transition markers বা connectives. যেমন --
And ---- এবং
Moreover ---- অধিকন্তু
Besides ---- তাছাড়া
Again ---- অধিকন্তু
While ---- য়খন
Whereas ---- অথচ
To speak in detail ---- বিস্তারিতভাবে বলতে গেলে
One word more about it ---- এ সম্বন্ধে আরেকটা কথা বলা যাক
And that's not all ---- এতেই ঘটনার শেষ নয়
Not only that ---- শুধু তাই নয়
Criticizing - সমালোচনা করা
কারো কোন কাজের বা কথার বা বিশ্বাসের সমালোচনা করতে গেলে বিশেষ কোনো গঠনের (structure) বাক্য প্রয়োজন হয় না। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতি এবং বলার ভঙ্গি থেকেই বুঝা যায় শ্রোতার কোন কথাটি সমালোচনামূলক। তবুও সচরাচর কোন কিছুর সমালোচনা করার সময় আমরা যে ভাবগুলিকে সবচেয়ে বেশি প্রকাশ করে থাকি সেগুলি হলো: তাচ্ছিল্যপূর্ণ সমালোচনামূলক প্রশ্ন (critical question)
Are you mad? ---- তুমি কি পাগল?
আপত্তিকরা (disapprove)
You are not permitted to come here ---- তোমার এখানে আসার অনুমতি নেই।
বিরক্তি (boredom)
What a rubbish! ---- কি বিশ্রী!
ক্রোধ (anger)
I will teach you a good lesson. ---- আমি তোমাকে উচিৎ শিক্ষা দিবো।
* দৃঢ়তা প্রকাশ করার জন্য shall-এর পরিবর্তে will ব্যবহৃত হয়।
Denial - অস্বীকৃতি
আগে ঘটেছে বা ঘটছে বলে মনে করা হয়েছে এমন কোন ঘটনার সত্যতাকে অস্বীকার করা হলে তাকে বলে অস্বীকৃতি বা Denial.
Kamal denied having gone there. ---- কামাল সেখানে যাবার ব্যাপারটি অস্বীকার করেছিলো।
She denied having broken the window. ---- জানালাটি ভাঙ্গার কথা সে অস্বীকার করলো।
Negative sentence ব্যবহার করে সরাসরি কোন ঘটনার সত্যতাকে অস্বীকার করা যায়। যেমন:
You went there, didn't you? ---- তুমি সেখানে গিয়েছিলে, গিয়েছিলে কি?
No. I didn't. ---- না, আমি যাই নি।
Direction - দিক/অভিমুখ
কোন দিকে বা কোন কিছুর অভিমুখে কোন গতিশীলতাকে প্রকাশ করতে হলে উক্ত দিকটিকে প্রকাশ করার উপায় জানতে হয়। নিচে দিক প্রকাশক কিছু word এবং phrase দেওয়া হলো:
To (দিকে) ---- Go to the college.
Towards (সামনের দিকে) ---- He is coming towards me.
Ahead (সামনের দিকে) ---- Go ahead to find the place.
Back (পিছনে/পিছনের দিকে) ---- Please come back.
Backward (পিছনের দিকে) ---- Look backward.
Beside (পাশে/পাশের দিকে) ---- Sit beside me.
Above (উপরের দিকে) ---- The fan is above my head.
Upward (উপরের দিকে) ---- Go upward the hill.
Down (নিচে) ---- He fall down from the tree.
Along (বরাবর; সামনের দিকে) ---- Go along the road.
Around (চারদিকে) ---- There are flowers around him.
About (প্রায়) ---- It is about five o'clock.
Straight (সোজা; বরাবর) ---- The road is straight.
Disapproval - অননুমোদন/অপছন্দ
পছন্দ করা শিখতে হলে অপছন্দ করাও শিখতে হয়। ফলে পছন্দকে প্রকাশ করা শিখতে হলে অপছন্দকেও প্রকাশ করা শিখতে হয়। অপছন্দের সাথে বিরক্তি, ক্রোধ ইত্যাদি বোধের যোগসূত্র মৌলিক বলে কোন কোন বাক্য এরূপ একের অধিক ভাবও প্রকাশ করতে পারে।
I don't like it. ---- এটা আমি পছন্দ করি না।
How do you tell me to like such a .... ? ---- তুমি কিভাবে এমন একটা .......কে আমাকে পছন্দ করতে বলছো?
I can't approve that plan. ---- ঐ পরিকল্পনাকে আমি অনুমোদন করতে পারি না।
Doubt - সন্দেহ
দৈনন্দিন জীবনে অনেক কিছুর ব্যাপারেই আমাদেরকে সন্দেহ পোষণ করতে এবং তা প্রকাশ করতে হয়। ইংরেজিতে এ উদ্দেশ্যে বেশ কিছু উপায়ে বাক্য গঠন করা হয়। যেমন:
I'm not sure whether it's true or false. ---- এটা সত্য কি মিথ্যা এ ব্যাপারে আমি নিশ্চিত নই।
Are you sure of your success? ---- তুমি কি তোমার সফলতার ব্যাপারে নিশ্চিত?
Duration - সময়কাল
কোন কাজ কতক্ষণ ধরে ঘটল বা ঘটে বা ঘটবে বা ঘটতো তা বুঝাতে বিশেষ কিছু time expression ব্যবহার করা হয়।
Always ---- সর্বদা
All the time ---- সব সময়
All the while ---- সব সময়
Most of the time ---- অধিকাংশ সময়
From time immemorial ---- স্মরণাতীতকাল থেকে
Since morning ---- সকাল থেকে
For two hours ---- দু’ঘণ্টা যাবত
Time-consuming ---- সময়সাপেক্ষ
Durable ---- টেকসই
Long lasting ---- দীর্ঘকাল টিকে এমন
Everlasting ---- চিরস্থায়ী
Transient ---- ক্ষণস্থায়ী
Short lived ---- স্বল্পায়ু
Till ---- যতক্ষণ পর্যন্ত
Until ---- যতক্ষণ পর্যন্ত না
As long as ---- যতক্ষণ পর্যন্ত
The whole day ---- সারাদিন ধরে
The whole night ---- সারারাত ধরে
In a month ---- এক মাসে
By that time ---- সেই সময়ের মধ্যে
Spoken English || স্পোকেন ইংলিশ 2016 | Speak in English Fluently | Lesson 1
Lesson 1
দৈনন্দিন জীবনে আমাদেরকে নানা ধরনের কাজ করতে হয়। কাজের প্রসঙ্গ আসলে পারা বা না পারার কথা ওঠে। কেউ কোনো কাজ করতে পারে কি পারে না এই জাতীয় যোগ্যতাকে বর্ণনা করার জন্য সচরাচর Can ব্যবহৃহ হয়। এটি একটি Modal Auxiliary যার পরে সব সময় verb এর Simple Form হয়।
I can ........
You can ......
Can একটি Modal Verb হওয়ায় এর সাথে s/es যুক্ত হয় না এবং এরপর To infinity ব্যবহৃত হয় না।
I can do it. ---- আমি এটি করতে পারি।
She can speak English fluently. ---- সে সাবলীলভাবে ইংরেজি বলতে পারে।
Negative sentence-এ contraction (সংক্ষিপ্ত) 'can't' ব্যবহৃত হয়। Question-এ একে মূল verb-এর আগে বসানো হয়।
I can't lift the box. ---- আমি বাক্সটি উঠাতে পারি না।
Can he speak English? ---- সে কি ইংরেজি জানে?
Adding More Information - আরও তথ্য যোগ করা
কথোপকথনে কোন বিষয়ের পক্ষে মত প্রদান করতে হলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তার পক্ষে তথ্য প্রদান করতে হয়। এভাবে প্রদত্ত তথ্যের সাথে আরো তথ্য প্রদান করতে হলে কিছু word বা phrase দ্বারা এই সংকেত দিতে হয় যে এ বিষয়ে আরো কিছু বলা হচ্ছে। যেমন-
Also ---- তাছাড়া
And ---- এবং
Moreover ---- অধিকন্তু
Besides that ---- এছাড়া/তাছাড়া
Another thing ---- আরেকটি বিষয়
Not only that ---- শুধু তাই নয়
Another important things is that ---- আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো
There's another reason why ---- তা কেন ঘটে তার আরেকটি কারণ আছে
Addressing Somebody - কাউকে সম্বোধন করা
কাউকে কাছে বা ধূর থেকে নাম, পরিচয়, বা পদবী ধরে ডাকাকে বলে সম্বোধন করা। দেশ ভেদে এবং ব্যক্তি ভেদে এগুলো ভিন্ন ভিন্ন হয়। সম্বোধন রীতির এই শ্রেণীভেদ বাংলাতেও আছে। Informal পরিবেশে অতিপরিচিত আত্মীয়-স্বজন বা বন্ধু-বান্ধবের ক্ষেত্রে:
Hi Ruma, where are you going?
Shahin, come here.
May I come in?
Did you call me mother?
Agreeing - সমর্থন করা
কারো কোনো প্রস্তাবে রাজি হলে তা কিভাবে প্রকাশ করবেন? অধিকাংশ সময়ে কারো কোনো মন্তব্যে একমত হলে ইতিবাচক সায় দেওয়ার দরকার হয়। প্রস্তাবে রাজি হয়ো বা না হওয়া প্রকাশ করতে সচরাচর নিচের style গুলি ব্যবহৃত হয়।
I agree ---- আমি একমত
You're right ---- ঠিক বলেছেন
I agree with you ---- আমি আপনার সাথে একমত
Yes, that's right ---- হ্যাঁ, তা ঠিক
I couldn't agree more ---- আমি পুরোপুরি রাজি
That's really the case ---- ঘটনাটা আসলেই তাই
You're absolutely right ---- একেবারে ঠিক বলেছেন
You can say that again ---- আমি আপনার সাথে পুরোপুরি রাজি
Yes, I have the same opinion ---- হ্যাঁ, আমারও একই মত
Anger - রাগ/ক্ষোভ প্রকাশ
রাগ প্রকাশ করার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় স্বরভঙ্গি এবং বাক্যভঙ্গি। ফলে যে বাক্যরূপ দ্বারা প্রশংসা করা যায়, তা দিয়ে তীব্র রাগ এবং বিরক্তিও প্রকাশ করা যায়। অনেক সময়ে শুধু বিশেষ ধরনের প্রশ্নের দ্বারাও রাগ প্রকাশ করা হয়। তবে চেতারা এবং স্বরের পরিবর্তন অবশ্যই করতে হবে। যেমন:
What are you doing? ---- তুমি কী করছো?
What the hell are you doing? ---- কী করছো তুমি, শুনি?
Attracting Attention - কারো দৃষ্টি আকর্ষণ করা
পথে চলতে চলতে অচেনা কোনো লোককে ডেকে সঠিক পথ সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করতে হলে, অন্যমনস্ক বা নিজের কাজে ব্যস্ত লোকটিকে কোন প্রয়োজনে ডাকতে হলে, ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রথমে প্রয়োজন হয় ভদ্রতাপূর্ণভাবে কারো দৃষ্টি আকর্ষণ করা। বাংলায় এরূপ কাজ আমরা ‘এই যে ভাই শুনুন’ ধাঁচের বাক্য বা উক্তি দ্বারা সম্পন্ন করে থাকি। ইংরেজিতে এরূপক্ষেত্রে প্রাথমিক পর্যায়ের ভদ্রতাপূর্ণ express গুলো নিচে দেওয়া হলো--
Excuse me ---- শুনুন
Listen ---- শুনুন
Oh, come on! ---- আহ, একটু বুঝতে চেষ্টা করো তো!
Do you follow me? ---- আমার কথা বুঝতে পারছো তো?
Are you with me? ---- আমার কথা শুনছেন তো?
Am I clear to you? ---- আমি কি বিষয়টা বুঝাতে পেরেছি?
Am I not right? ---- ঠিক বলিনি?
Isn't it true? --- এটা কি সত্য নয়?
Isn't it really true? ---- এটা কি আসলেই সত্য নয়?
Castigating - তিরস্কার করা/বকা দেওয়া
কাকে কিভাবে বকা দিতে হবে, তা নির্ভর করে যে বকা দিবে তার সাথে যাকে বকা দেওয়া হবে তার সম্পর্কের ওপর। নিচে এধরনের কিছু expression দেওয়া হলো--
What! You can't do it? ---- কী! তুমি এটা করতে পারবে না?
Shut up! Don't talk nonsense! ---- চুপ করো! বাজে বকো না!
That's enough! ---- অনেক হয়েছে!
How foolish! Who told you to do it that way? ---- কী বোকা! তোমাকে এটা ঐভাবে করতে কে বলেছে?
#Rashifol | Aries | বিয়ে বা প্রেম? মেষ রাশির মেয়েরা কেমন? 2016 OYSTER Astrology
মেষ
জীবনের সব ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিতে পছন্দ করে মেষ রাশির নারী। সহজাত নেতৃত্ব দেবার ক্ষমতা থাকে তাদের। সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠার প্রবণতা দেখা যায় তাদের মাঝে। প্রতিটা দিন কর্মচঞ্চল করে রাখার ব্যাপারে তাদের জুড়ি নেই। কখনও কখনও নিজের ক্ষমতার বেশি কাজের ভার নিয়ে ফেলে তারা।
অনেক সময়ে একটা কাজ শেষ না করেই আরেকটা শুরু করে দেয়। জীবনের ব্যাপারে আশাবাদী হয়ে থাকেন মেষ রাশির জাতিকা। একটা ভালো কাজ করার সুযোগ পেলে তারা সেটা করে ফেলবে, এতে তার নিজের কতখানি লাভ হলো সেটা নিয়ে চিন্তা করবে না। নিজের মতামত জানানোর ব্যাপারে একেবারেই ঠোঁটকাটা তারা। কখনও কখনও মেষ নারী এতই সফল হয়ে থাকে যে অন্যরাও তার মতো হতে চায় (যদিও পেরে ওঠে না)।
প্রেমের ক্ষেত্রে মেষ নারী কেমন হয়? মেষ রাশির প্রতীক চালিত হয় আগুনের উপাদানে। এ থেকেই বোঝা যায়, মেষ নারীর প্রেমও হয় তেমনই উষ্ণ। প্রেমের ক্ষেত্রে মেষ নারী নিজেই উদ্যগ নিয়ে থাকতে পারে কিন্তু তার সঙ্গীকেও হতে হয় শক্তিশালী ব্যক্তিত্বের অধিকারী। সঙ্গী পুরুষের ব্যক্তিত্ব দুর্বল হলে খুব দ্রুত আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন মেষ নারী। মেষ নারীর সাথে তর্ক হলে তেমন বিচলিত হবেন না। এই তর্কের মাধ্য
মেও সম্পর্ক পোক্ত হয়ে উঠতে পারে।
Bangla Golpo [ বউ ও শাশুড়ি ] বাংলা ছোট গল্প | OYSTER LINK !
বউ ও শাশুড়ি
অনেক অনেক দিন আগে, চীন দেশে লিউ নামে এক মেয়ে বিয়ে করে বাস করতে লাগল তার স্বামী এবং শ্বাশুড়ীর সাথে।
খুব অল্পসময়েই লিউ দেখল যে তার শ্বাশুড়ীর সাথে বাস করাটা প্রায় অসম্ভব। ক্রমশ তাদের মধ্যে মতনক্য আর ঝগড়া শুরু ...হয়। শাশুরি প্রায়শ লিউকে কটাক্ষ করতো বিভিন্ন কাজে।
পরিস্থিতি সবচাইতে খারাপ করল যে দিকটা সেটা হল, চাইনিজ পরম্পরা অনুয়ায়ী লিউ তার শ্বাশুড়ীকে সবসময়েই মাথা নুইয়ে সন্মান জানাতে হতো এবং শ্বাশুড়ীর সমস্ত আদেশ মেনে নিতে হতো।
অনেক দিন এবং সপ্তাহ পার হয়ে গেল কিন্তু তাদের বিবাদ না কমে দিন দিন বাড়তেই থাকল। এ সমস্ত ঘটনা ক্রমেই লিউর স্বামীকেকে হতাশাগ্রস্থ করে তুলল।
লিউ কোনভাবেই তার শ্বাশুড়ীর এই খারাপ আচরন বরদাস্ত করতে পারছিলনা, এবং সে সিদ্ধান্ত নিল যে কিছু একটা করতেই হবে।
একদিন লিউ তার বাবার এক বন্ধু মি: হং এর কাছে গেল যার একটা ফার্মেসি রয়েছে। লিউ তাকে সমস্ত ঘটনা খুলে বললো এবং তার কাছে কিছু বিষ চাইল যা দিয়ে তার শ্বাশুড়ীকে মেরে ফেলে এ সমস্ত সমস্যার সমাধান করা যায়।
মি: হং কিছুক্ষণ চিন্তা করে বললেন," লিউ, আমি তোমাকে সাহায্য করবো তোমার সমস্যার সমাধান করবার জন্য, কিন্তু আমি তোমাকে যা যা বলবো তাই তোমাকে অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে।"
লিউ খুশিমনে তার কথায় রাজী হয়ে গেলো। মি: হং পেছনের রুমে গেলেন এবং কিছুক্ষণ পর ফিরে এলেন একটা ঔষধের প্যাকেট নিয়ে।
তিনি লিউকে বললেন," তোমার শ্বাশুড়ীকে মেরে ফেলবার জন্য এমন কোন বিষ দেয়া উচিৎ হবেনা যা তাৎনিক ভাবে তাকে মেরে ফেলবে। এতে লোকের সন্দেহ তোমার উপর পরবে।
তাই আমি তোমাকে এমন একটা ঔষধ দিচ্ছি যা তোমার শ্বাশুড়ীর শরীরে ধীরে ধীরে বিষক্রিয়া করবে। প্রতিদিন তার খাবারের সাথে এটা অল্প করে মিশিয়ে দিবে। এটার কার্যকারীতা শুরু হতে কয়েকমাস লেগে যেতে পারে, আর তাই তুমি তোমার শ্বাশুড়ীর সাথে এ কদিন ভাল ব্যবহার করতে থাক যাতে লোকের সন্দেহ কোনক্রমেই তোমার উপর না পরে।
কখনই তার সাথে তর্ক করবেনা, তার প্রতিটি ইচ্ছা পুরণ করবে এবং তার সাথে রানীর মতো আচরণ করবে।"
লিউ খুবই খুশী হল।সে মি: হংকে ধন্যবাদ দিয়ে তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরে এল তার শ্বাশুরীকে হত্যা করবার কাজ শুরু করবার জন্য।
সপ্তাহ পার হয়ে মাস পার হয়ে গেল, লিউ তার ঔষধটা শ্বাশুড়ীকে নিয়ম করে খাওয়াতে লাগল।
সে সবার সন্দেহের উর্দ্ধে থাকবার জন্য মি: হং এর উপদেশও অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে লাগলো। সে তার বাজে রাগকে প্রশমিত করলো, তার শ্বাশুড়ীর সমস্ত আদেশ মাথা পেতে পালন করতো এবং তার সাথে আচরণ করত তার নিজের মায়ের মতই।
ছয়মাস পর পুরো ঘরের দৃশ্যপট পাল্টে গেল।
লিউ তার রাগকে এতটাই দমন করা শিখে গেল যে, সে আর তেমন করে উত্তেজিতই হতে পারত না।
তার সাথে তার শ্বাশুড়ীর এই ছয়মাসে কোন তর্কই বাধল না, আর এখন লিলি তার শ্বাশুড়ীর সাথে অনেক বেশী ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠল। লিউর প্রতি তার শ্বাশুড়ীর আচরণেরও পরিবর্তন হল, এবং তিনি লিউকে তার মেয়ের মতই ভালবাসতে শুরু করলেন।
তিনি তার বন্ধুবান্ধব এবং আত্মীয় স্বজনদেরকে বলতে লাগলেন যে, পৃথিবীতে যত বৌমা আছে তার মধ্যে লিউ হচ্ছে সর্বোৎকৃষ্ট।
লিউ এবং তার শ্বাশুড়ী, মেয়ে এবং মা এর মতই বাস করতে লাগল।
সবকিছু দেখে লিউর হাসবেন্ডও খুব খুশি হয়ে উঠল।
একদিন লিউ আবারও মি: হং এর কাছে সাহায্যের জন্য আসল। সে মি: হংকে বলল, " প্রিয় মি: হং, আপনার বাকি ঔষধ আপনি ফিরিয়ে নিন এবং যতটুকু ক্ষতি আমার শ্বাশুড়ীর হয়েছে তা কাটাবার কোন ঔষধ দিন। তার মধ্যে অনেক পরিবর্তন হয়েছে এবং এখন তাকে আমি আমার মায়ের মতই ভালবাসি।"
মি: হং হেসে সামান্য মাথা ঝাঁকিয়ে বললেন, " লিউ, ভয় পাবার কোন কারন নেই, আমি তোমাকে কোন বিষ দেইনি। যেটা দিয়েছিলাম সেটা ছিল একপ্রকার ভিটামিন। যা তোমার শ্বাশুড়ীর স্বাস্থ্য ভাল হতে সাহায্য করেছে।
একমাত্র বিষ ছিল তোমার মনে এবং তার প্রতি তোমার আচরণে, যেটা তুমি পুরোপুরি ধুয়ে ফেলেছ তাকে ভালবেসে।"
Tuesday, 4 October 2016
HOW TO STOP HAIR LOSS USING NATURAL REMEDIES? SOLUTION!
- Try aloe vera gel, which may help optimize your scalps pH and promote healthy hair growth. Massage aloe vera gel to the scalp and leave it on for an hour. Wash off and repeat three to four times a week.
- Try licorice root paste, which has properties that may help soothe the scalp and help reduce irritation. Mix ground licorice root (1 tablespoon), saffron (quarter teaspoon) and a cup of milk. Apply the mixture on bald areas, cover and leave it on overnight. Rinse off in the morning and repeat once or twice a week.
- Try Chinese hibiscus flower that may help promote hair growth, cure dandruff, and thicken hair. Mix flowers with coconut oil, heat Until charred and strain to collect the oil. Apply to the scalp at bedtime and leave it on for overnight. In the morning, wash your hair and repeat a few times a week.
- Other remedies you can also try include beetroot, flaxseeds or coconut milk.
You can read:
Some reasons that's why we wasting our beauty...
Your beauty is being destroyed? You are worry about that? But you don't know the reasons why!We all human beings running behind the beauty. Beauty is a subject that fascinates us. If you want to be beautiful, care and hard work is necessary for that!
But we ourselves are responsible for the loss of our beauty. In our personal lives, some of the bad habits that are destroying all of its health and beauty of the body.
Let's get to know the things for that we have lost our beauty...
1. BLASTING ACNE: Acne is a very familiar problem to our skin. Pimples destroys the beauty naturally. But when acne appears in our skin, we are blasting it! And then, spots appear in our face, a major problem occurs in the skin, and it has rarely been damaged our face.
2. REPEATED HAIR COLOR: Beauty with thick black hair is really different. But we have to change hair color many times in order to fashion. It damages hair! In that way hair health is seen for a while lose, lose brightness, and causes hair fall.
3. TOO MUCH EYEBROWS PLUCK: One thing is that the beauty of the eye, eye brow. Particularly for women, to increase their beauty they pluck eyebrows every month. But many of those who have been pluck eyebrows 3 to 4 times in a month. As a result, the skin of the eyebrows hanging below and loses the beauty of the eye!
4. LATE NIGHT SLEEP & TOO MUCH SLEEP: Life is so busy that we do not take care of myself. Do not thinks about the fitness of the body. The appearance of the body causes worst effect for night awake as well as too much extra sleep causes worst effects in the face!
5. JUNK FOOD: Taking good food, makes skin and the body is healthy. And we all know about junk food and it's effect of the body. Junk food is not healthy for our body at all, junk food destroys our skin, increases body weight, there was a problem in all sorts of categories.
3 Important Reasons To Exercise In Evening...
7. DO NOT CLEAN THE MAKEUP FACE BEFORE SLEEP: Many people do not clean their faces coz of laziness and go to sleep without makeup clean. But, if it is to become a habit, it is very bad for the skin and beauty will waste!
If you like my post please share it...
Thank you.
3 Important Reasons To Exercise In Evening...
Evening exercise is most important thing!
Many health conscious people choose to exercise to keep the body healthy. There is no pair of physical exercise to keep the body functioning normally. If you don't want to lose the old body I mean younger look early, need to follow the rules of daily physical exercise. Because physical exercise protects our bodies from many kinds of diseases.
But, time for exercise, that is the problem! Which time is better for exercise? According to some people, exercise in the morning is better. But fitness experts says the evening is a good time than morning. There are many benefits of exercise in the evening. Let's assume that the importance of exercise in evening...
Three Reasons:
1. MORE CALORIES LOSS
2. GOOD EXERCISE
3. GOOD SLEEP
Explanations:
1. MORE CALORIES LOSS: Morning exercise into your body is for motion, and to prepare for the day. But if you want to shed your body fat I mean, if you want to lose weight you must have to chose evening time for exercise. As a result, you will loss more calories which you intake for the hole day!
2. GOOD EXERCISE: During morning period there is a lot of rush, that is why exercise time can not be fixed. As a result, we did't fulfill our goal of physical exercise. So evening is a good time for exercise. Also, many people go to the gym to exercise in the evening, the entertainment system is pretty good.
3. GOOD SLEEP: If you exercise in the evening, you'll get a good night sleep. During sleep, the body is being exhausted. During the physical exercise blood circulation in the body increases in the evening and slowly tired our bodies. So you getting a good sleep. Those who suffer from insomnia, they can exercise in the evening.

