Wednesday, 19 October 2016

Antarctica | গত এক দশকে বরফ গলার মাত্রা তিনগুণ বেড়েছে

অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের নাম ‘অ্যান্টার্কটিকা’ কেন হলো? আসলে পৃথিবীর সর্ব উত্তরের মেরু এলাকাকে বলে আর্কটিক। এর বিপরীত হল অ্যান্টার্কটিক। আর সেখান থেকেই অ্যান্টার্কটিকা। উত্তর মেরু এলাকার নাম কেন আর্কটিক হলো তা বলার এখন সময় নেই, কেননা আগে সংবাদ ব্যাপিত করতে হবে। তো অ্যান্টার্কটিকার কোন খবর আছে নাকি?হ্যাঁ, আছে। তবে খবরের আগে যোগ করতে ‘দুঃ’ নামক বিশেষণ।

সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন মহাসাগরের উষ্ণ পানির কারণে গলে যাচ্ছে পূর্ব অ্যান্টার্কটিকার সবচেয়ে বড় হিমবাহ টটেন গ্ল্যাসিয়ার। টটেন গ্ল্যাসিয়ারের উচ্চতা ২০ ফুট (৬মিটার)। এটি লম্বায় ১২০ কিলোমিটার ও প্রস্থে ৩০ কিলোমিটারেরও বেশি।ভ্রমণ ফেরত বিজ্ঞানী দলের স্টিভ রিনটল জানান, আমরা হিমবাহটির সামনের দিকের তাপমাত্রা পরিমাপ করেছি। এই তাপমাত্রা হিমবাহ গলানোর জন্য যথেষ্ট। হিমবাহটির কাছে উষ্ণ স্রোতের ধারা পৌঁছানোর অর্থ হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পূর্ব অ্যান্টার্কটিকা আমাদের ধারণার চেয়েও বেশি হুমকির সম্মুখীন হতে পারে।তিনি বলেন, হিমবাহটি যে রাতারাতি গলে যাবে ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ছয় মিটার বেড়ে যাবে তা নয়। তবে সমুদ্রের তাপমাত্রার পরিবর্তন বরফস্তুপের ওপর কেমন প্রভাব ফেলবে তার জন্য গবেষণাটি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, পূর্ব অ্যান্টার্কটিকা যতটা সুরক্ষিত বলে আমরা চিন্তা করছি সেটি আসলে ততটা সুরক্ষিত নয়।

গত ২১ বছরের তথ্যের ভিত্তিতে গত মাসে একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে, অ্যান্টার্কটিকার যেসব অঞ্চলে দ্রুত বরফ গলছে, সেখানে গত এক দশকে বরফ গলার মাত্রা তিনগুণ বেড়েছে।

No comments:

Post a Comment