Friday, 23 December 2016

উড়ান এবং অবতরণের সময় বিমানের লাইট কেন ক্ষীণকরে দেওয়া হয়? Oysterlink

যাঁদের আকাশ পথে চলাচলের অভিজ্ঞতা আছে, তারা এই বিষয়টা নিয়ে নিশ্চয় অবগত, উড়ান এবং অবতরণ এই দুই সময়ই বিমানের ভিতরের আলো একেবারে মৃদু করে দেওয়া হয়।
সারাক্ষণ লাইটের আলো তীব্র থাকলেও কেন এই দুইসময় আলো একেবারে মৃদু করে দেওয়া হয়, জানেন? এর পিছনে যে মূল কারণটি রয়েছে তা হল যাত্রী সুরক্ষা।
এখন মনে প্রশ্ন আসতেই পারে, যাত্রী সুরক্ষার সঙ্গে লাইটের আলো কমিয়ে আনার সম্পর্ক কী? বিমানের পরিচারকেরা জানিয়েছেন, প্রথমত হঠাৎ কোনও দুর্ঘটনা ঘটে গেলে যদি বিমানের সব লাইট বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে আরও বিপদের সম্মুখীন হবেন যাত্রীরা।
হঠাৎ করে সামনে অন্ধকারের বদলে যাত্রীরা যদি ক্ষীণ আলোতে থাকেন তাহলে তা তাঁদের চোখের পক্ষেও ভালো এবং এই ধরনের সমস্যার সময় অল্প আলোতে যাত্রীরা যাতে আপতকালীন দরজার লাইটে ভালো করে নজর রাখতে পারেন তাই এমনটা করা হয়।
কারণ, ক্ষীণ আলোতে আরও স্পষ্ট দেখা যায় আপতকালীন দরজার লাইট।

কোহিনুর কোনও দিন চুরি হয়ইনি।

কোহিনুরহিরে। ৭৯৩ ক্যারেটের এই হিরে  ভারতের এক অমূল্য সম্পদ। দু'শো বছরের রাজত্বের পর ব্রিটিশরা ভারতের সিংহাসন ছেড়ে দিলেও সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিল এই অমূল্য সম্পদ। কোহিনুরের 'চুরি'র অপবাদ এতদিন ব্রিটিশদের উপরই ছিল। ইতিহাস অন্তত এমনটাই বলে।
কিন্তু অন্য কথা বলছে কেন্দ্রীয় সরকার। সলিসিটর জেনারেল জানিয়েছেন, কোহিনুর কোনও দিন চুরি হয়ইনি।ইউনাইটেড কিংডম থেকে কোহিনুর ফিরিয়ে তোড়জোড় চলছিল বেশ কিছুদিন ধরে। এমন সময় কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কোহিনুর হিরে কখনও চুরি হয়নি। মহারাজা রঞ্জিত সিং ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে উপহার দিয়েছিলেন ওই মহামূল্য হিরেটি।
সুতরাং তা ফেরত দেওয়ার দাবি ভারত করতে পারে না। এই কথা শোনার পর কোহিনুর বিষয়ে সরকারের নীতি ঠিক কী তা জানিয়েছ'সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলে অ্যাপেক্স কোর্ট।

আপনার প্রিয় মানুষটির মৃত্যুর পরেও সঙ্গে থাকবে আপনার৷

জীবিত অবস্থায় যদি আপনি কারও পছন্দের মানুষ না হয়ে উঠতে পারেন, হতাশ হবেন না মৃত্যুর পরেও অবশ্যই তার কাছে মূল্যবান হবেন আপনি৷
নিশ্চয়ই ভাবছেন কোনও গাঁজাখরি গল্প শোনাচ্ছি?একদমই নয়৷
সম্প্রতি একটি সুইস কোম্পানি সামনে এনেছে এমন একটি পদ্ধতি যার দ্বারা মৃত্যুর পরে আপনার শব থেকেই তৈরি করা যাবে হীরা৷ সেই হীরের তৈরি আংটির দাম হতে পারে তিন লাখ থেকে শুরু করে ১৫ লাখ পর্যন্ত৷ তবে হীরের মাপের উপর নির্ভর করবে দাম৷
ফলে এবার থেকে আপনার প্রিয় মানুষটির মৃত্যুর পরেও সঙ্গে থাকবে আপনার৷
কী করে হবে এই অসাধ্য সাধন? কোম্পানির পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রায় মৃতদেহকেপুড়িয়ে তা থেকে কার্বন বের় করা হবে৷ তারপরে সেইকার্বনকে কৃত্রিম হীরেতে পরিণত করা হবে৷ যদি আপনি ভেবে থাকেন এই হীরেগুলি শুধুমাত্র ধনী ব্যক্তিদেরজন্য৷ তবে ভুল ভাবছেন আপনি৷
কারণ কোম্পানির পক্ষ থেকে জানান হয়েছে সাধারণের কথা মাথায় রেখে পকেট ফ্রেন্ডলি করা হবে হীরের মূল্য৷